বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে ২০২৬ সালে একটি ‘সুপার এল নিনো’ তৈরি হতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা ও দাবানলের ঝুঁকি বাড়াবে। ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ১৫ কোটি হেক্টরের বেশি জমি দাবানলে পুড়ে গেছে, যা আগের রেকর্ডের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বাড়িয়ে বৈশ্বিক আবহাওয়ার ধরণে পরিবর্তন আনে।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের দাবানল বিশেষজ্ঞ থিওডোর কিপিং জানান, এ বছর দাবানলের মৌসুম অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত শুরু হয়েছে। আফ্রিকায় প্রায় ৮৫ মিলিয়ন হেক্টর এবং এশিয়ায় প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ হেক্টর জমি ইতোমধ্যে পুড়ে গেছে। তিনি সতর্ক করেছেন, বছরের শেষ দিকে এল নিনোর প্রভাবে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও আমাজন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ ও খরার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, মে মাসেই এল নিনো পরিস্থিতি শুরু হতে পারে, যা অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে খরা এবং অন্যান্য অঞ্চলে বন্যা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
২০২৬ সালে ‘সুপার এল নিনো’ আসছে, রেকর্ড দাবানল ও তাপপ্রবাহের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।