ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান শনিবার ঘোষণা করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে তার দেশ নতি স্বীকার করবে না। তার এই মন্তব্য আসে এমন সময়ে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তি চাপিয়ে দিতে সীমিত সামরিক হামলার কথা বিবেচনা করছেন। তেহরানে ইরানি প্যারালিম্পিক দলের সদস্যদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান কোনো কঠিন পরিস্থিতিতেই মাথা নত করবে না। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরী ও অসংখ্য যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
ওমান ও সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু হলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, কয়েক দিনের মধ্যেই একটি খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করে ওয়াশিংটনে পাঠানো হতে পারে। ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে, ইরানের হাতে “অল্প সময়” আছে এবং সীমিত হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। ইরান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব “দৃঢ় ও সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে” দেওয়া হবে।
এই উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে সুইডেন, সার্বিয়া, পোল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে।
পারমাণবিক আলোচনায় অচলাবস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রত্যাখ্যান করল ইরান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।