যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি পুনর্গঠনের অংশ হিসাবে প্রায় ৬০টি প্রধান বাণিজ্য অংশীদেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক ঘোষণা করেছে। ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন শুল্ক স্থলাভিষিক্ত হবে যখন বর্তমান অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের মেয়াদ শেষ হবে; পরিবহন বা ট্রানজিটে থাকা পণ্যগুলোকে ২৮ জুলাই রাত ১২:০১ (ইডিটি) পর্যন্ত শুল্কমুক্ত রাখা হয়েছে। প্রায় ৯৯.৪ শতাংশ আমদানিকৃত পণ্য এই নীতির আওতায় আসবে, তেলের মতো কিছু খাত, সার ও নির্দিষ্ট খাদ্যদ্রব্য এবং জাতীয় নিরাপত্তাজনিত শুল্কাধীন খাতগুলোকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
নতুন শুল্ক ৩০১ ধারার আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশাসন এটি আইনি ভাবে শক্ত বলে উল্লেখ করেছে। শুল্ক হার তিন ভাগে বিভক্ত: আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, ভারত, মেক্সিকো ইত্যাদির জন্য ১০ শতাংশ; ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইজারল্যান্ডের জন্য বিদ্যমান এমএফএন শুল্ক অনুসারে ১০–১২.৫ শতাংশ; এবং চীনসহ ৩৮টি দেশের জন্য ১২.৫ শতাংশ। প্রশাসন বলছে এই পদক্ষেপ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপন্ন পণ্য প্রতিরোধ ও শ্রমিকদের কল্যাণ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে এবং যেসব চুক্তিতে জোরপূর্বক শ্রম বিরোধী ক্লজ আছে সেসব ক্ষেত্রে হার অতিক্রম করা হবে না।
কিছু পণ্য ও খাত যেমন তেল ও গ্যাস, সার, নির্দিষ্ট চিনিজাত পণ্য, পিগ আয়রন, পশু ও বীজজাত পণ্য এবং বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ নতুন শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০ দেশের পণ্যের ওপর ১০–১২.৫% শুল্ক ঘোষণা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।