চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের কাছে জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা চেয়েছে। বর্তমানে বন্দরের বিভিন্ন জেটি ও বহির্নোঙরে ১৫টি জ্বালানিবাহী জাহাজ অবস্থান করছে এবং চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজ আসবে। বন্দর কর্মকর্তারা জানান, আগামী দেড় মাসের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে, তবে নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে পূর্ববর্তী সরকারের পতনের পর চারটি জ্বালানিবাহী জাহাজে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, এলএনজি, এলপিজি, ডিজেল ও ক্রুডসহ পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ডকুমেন্টেশন ও বার্থিং প্রক্রিয়া সম্পন্নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে জাহাজগুলো দ্রুত খালাস করা যায়।
নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও অন্যান্য অংশীজনদের নিয়ে ইতোমধ্যে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও নাশকতার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতেই এই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
নাশকতার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানিবাহী জাহাজে বাড়তি নিরাপত্তা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।