ইসরাইল–মিশর সীমান্তে অবস্থিত ছোট রিসোর্ট শহর তাবা এখন ইসরাইলি ও বিদেশি নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হাবে পরিণত হয়েছে। ইরান ইসরাইল–যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনের জবাব দিতে শুরু করলে ইসরাইল তার আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। এরপর দেশ ছেড়ে যাওয়া বা দেশে ফেরার জন্য অনেক ইসরাইলি তাবা সীমান্ত ব্যবহার করছেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম হামলার পর থেকে হাজার হাজার যাত্রী তাবা সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত করছেন। কেউ কেউ ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে যাওয়ার জন্য মিশরে প্রবেশ করছেন, আবার অনেকে তাবা বিমানবন্দরে নেমে বাসে ইসরাইলে যাচ্ছেন। যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে তাবা বিমানবন্দর পুনরায় চালু করা হয়েছে।
লোহিত সাগর তীরবর্তী এই শহরটি এখন ব্যস্ত ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে এবং বিমান সংস্থাগুলো আঞ্চলিক ফ্লাইটের রুট পরিবর্তন করছে। ১ মার্চ ইসরাইলের আরকিয়া এয়ারলাইন তাবা ও এথেন্সের মধ্যে ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দেয় এবং পরে ইউরোপের ছয়টি গন্তব্যে রুট বাড়ায়। একটি সাইপ্রিয়ট ও একটি গ্রিক এয়ারলাইনও তাবায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে ইসরাইলের প্রধান বিমান সংস্থা এল আল তাবায় ফ্লাইট সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।
যুদ্ধের মধ্যে আকাশসীমা বন্ধে ইসরাইলিদের পালানোর রুট তাবা বিমানবন্দর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।