বাংলাদেশ জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। রাজধানী ঢাকায় রমনার বটমূলে ছায়ানটের পরিবেশনায় সূচিত হয় দিনব্যাপী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। এবারের বৈশাখে আনন্দের পাশাপাশি ছিল গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের আহ্বান। দীর্ঘ দেড় দশক পর ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’, যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীসহ বিশিষ্টজনরা অংশ নেন।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও আমার বাংলাদেশ পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও শোভাযাত্রা ও মেলার মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপন করে। এনসিপি বাংলামোটরে বর্ণিল মেলার আয়োজন করে, আর বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাস শহরের বিভিন্ন স্থানে গান ও নাচের আয়োজন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিণত হয় উৎসবের প্রাণকেন্দ্রে, যেখানে প্রদর্শনী, পুতুলনাচ ও লোকজ খেলায় উপচে পড়ে জনসমাগম।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। ইউনেস্কোর স্বীকৃত এই উৎসব এখন বাঙালির আত্মপরিচয় ও মানবিক গণতন্ত্রের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
গণতন্ত্র ও ঐক্যের আহ্বানে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন করল বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।