একটি মতামতধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, জুলাইয়ের আন্দোলন রাষ্ট্রব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে না পারায় তা বিপ্লবের বদলে গণঅভ্যুত্থান হিসেবেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষার্থীর লেখা নিবন্ধটিতে বলা হয়, আন্দোলনকারীরা বৈষম্যহীন সমাজ, ক্ষমতাসীনদের সমালোচনার স্বাধীনতা, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরের পচন দূর করার দাবি করেছিলেন।
লেখাটির দাবি, আন্দোলনের কৃতিত্ব ভাগাভাগি এবং দ্রুত ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর তীব্র আকাঙ্ক্ষা সংস্কারের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে বলা হয়, শহীদ পরিবারকে সহায়তা ও আহতদের চিকিৎসা, বিশেষ করে বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার দেড় বছর সংস্কার নিয়ে আলোচনা করলেও উল্লেখযোগ্য সংস্কার বাস্তবায়ন করেনি।
গণভোটে সংস্কারের পক্ষে ফল আসার পরও সরকারি দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকা সংস্কারগুলো বাদ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়, পুলিশি লাঠিচার্জ, আমলাতান্ত্রিক জট, দুর্নীতি, হয়রানি, চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট ও উচ্চমূল্যের সমস্যা রয়ে গেছে। রাষ্ট্রকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন না হলে সাধারণ মানুষ ২০২৪ সালের ঘটনার সুফল পাবে না বলে লেখক মত দেন।
মতামত: মৌলিক রাষ্ট্রীয় সংস্কার ছাড়া জুলাইয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।