দ্য গার্ডিয়ানের এক অনুসন্ধানে স্যাটেলাইট চিত্র, জাতিসংঘের গবেষণা ও বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪ সালে উত্তর মিয়ানমারের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর আরাকান আর্মি রোহিঙ্গা গ্রাম ধ্বংস করে তাদের জমিতে বন্দিশিবির, সামরিক ব্যারাক ও বসতি গড়ছে। বুথিডং টাউনশিপের হ্নগেট থে এলাকায় ২০২৬ সালের মধ্যে একটি সাবেক ধানখেতে ১২০টি ধূসর ভবন নির্মাণের কথা বলা হয়েছে।
অনুসন্ধান অনুযায়ী, ওই স্থাপনা আরাকান আর্মি পরিচালিত বন্দিশিবির হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং সেখানে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে রাখা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া তারা শিবিরে ঢুকতে বা বের হতে পারেন না বলে অভিযোগ। জাতিসংঘের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সাল থেকে ২৩টি রোহিঙ্গা গ্রামের অন্তত ৮০০ হেক্টর জমি শিবির, অন্য জনগোষ্ঠীর বসতি বা সামরিক অবকাঠামোর জন্য দখল করা হয়েছে।
বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জোরপূর্বক শ্রম, নির্যাতন, নির্বিচার গ্রেপ্তার, বাধ্যতামূলক নিয়োগ ও কর আদায়ের অভিযোগ করেছেন। আরাকান আর্মি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা শুধু সামরিক সদস্য ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্য করেছে। জাতিসংঘের তদন্তকারী সংস্থার প্রধান বলেছেন, ভূমি ধ্বংসে আরাকান আর্মির দায় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জমিতে শিবির ও সামরিক স্থাপনা গড়ার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।