ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা চীনের ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ইইউর শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কাল্লাস এই নির্ভরশীলতা কমানোর প্রচেষ্টাকে যন্ত্রণাদায়ক চিকিৎসার সঙ্গে তুলনা করেছেন। চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির আমদানি বৃদ্ধির ফলে ইউরোপের বাণিজ্য ঘাটতি রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। বেইজিংয়ের আগ্রাসী বাণিজ্যনীতির জবাবে ব্রাসেলস প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে, যদিও চীন পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপের শিল্পখাতে আতঙ্ক বাড়ছে, বিশেষ করে জার্মানিতে উৎপাদন প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফ্রান্স, স্পেনসহ কয়েকটি দেশ কৌশলগত শিল্প রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, বেইজিং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাবিত ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাক্সিলারেটর অ্যাক্ট’-কে সংরক্ষণবাদী বলে নিন্দা করেছে। চীনের বিরল খনিজ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ও নতুন নিয়মকানুন ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে।
আগামী জি–৭ ও ইইউ শীর্ষ সম্মেলনে এই বাণিজ্য উত্তেজনা আলোচ্যসূচিতে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে চীনের প্রতিশোধের আশঙ্কা এবং সস্তা চীনা পণ্যের ওপর ইউরোপীয় ভোক্তাদের নির্ভরতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
চীনের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়ায় কঠোর পদক্ষেপ ভাবছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।