ইরান সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে সানা পুনর্দখলের লক্ষ্য নিয়ে পশ্চিমা সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযান ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সরবরাহপথে হুথি নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি শিবিরের বিভক্তি অভিযানে চাপ বাড়িয়েছে। সম্প্রতি বন্দরনগরী এডেনে আল-মাশিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছে হুথি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হন; সেখানে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী শায়া আল-জিন্দানি অক্ষত ছিলেন।
সেপ্টেম্বরের শুরুতে লোহিত সাগর উপকূল ধরে অগ্রসর হয়ে হুথিরা মোখা বন্দর দখল করে, যা পশ্চিম তাইজে সরকারি বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ রসদকেন্দ্র ছিল। তারা তাইজ থেকে এডেনের প্রধান সড়কও বিচ্ছিন্ন করেছে এবং বিকল্প পাহাড়ি পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাইজে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে; গত সপ্তাহে পেট্রলের দাম তিন গুণ বেড়েছে।
সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, স্থল, নৌ ও আকাশপথের বিকল্প ব্যবস্থায় অভিযান চলবে, যদিও সরবরাহে বিলম্ব ও ব্যয় বাড়ছে। সৌদি সামরিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং জানুয়ারিতে গঠিত সুপ্রিম মিলিটারি কমিটি বিভিন্ন হুথিবিরোধী ইউনিটের সমন্বয় বাড়ানোর চেষ্টা করছে। সরবরাহপথ সচল রাখা, তাইজের অবরোধ ভাঙা এবং কার্যকর একক কমান্ড প্রতিষ্ঠার ওপর অভিযানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
হুথিবিরোধী অভিযানে সরবরাহ ও সমন্বয় সংকটে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।