জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু—সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ক্ষমতাহীন নাগরিকই ক্ষমতাসীন দলের চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন। আজ ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, সাধারণ হিন্দু ও মুসলমান উভয়েই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অপরাধ, নিরাপত্তাহীনতা, ব্যবসাসংক্রান্ত অপরাধ, ভূমি ও সম্পদ জবরদখল এবং প্রভাবশালীদের ক্ষমতাচর্চার ভুক্তভোগী।
হাসনাত অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় উগ্রবাদ রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হতো। তাঁর দাবি, পূজাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে পরিকল্পিত নাশকতা তৈরি করে তার দায় বিভিন্ন পক্ষের ওপর চাপানো হতো। এতে হিন্দু-মুসলমানের বিভাজন বাড়ত এবং আওয়ামী লীগ ছাড়া সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়—এমন প্রচারণা জোরদার করা হতো বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ অস্থিরতা ও অপরাধকে সাম্প্রদায়িক সমস্যা হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অপরাধ হিসেবে দেখা উচিত। অপরাধকে বিচারপ্রক্রিয়ায় আনা এবং আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে নাগরিক সুরক্ষা বাড়ানো হলে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা কমবে বলে তিনি মত দেন। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর তিন বছর দুর্গাপূজা বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া প্রায় নির্বিঘ্নে উদ্যাপিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সব ধর্মের ক্ষমতাহীন নাগরিক চাঁদাবাজির শিকার, বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।