প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকার। ২০২৬ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রকাশ করে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীর মায়ের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। মায়ের অনুপস্থিতিতে বাবা বা বৈধ অভিভাবক এই সুবিধা পাবেন।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয় এবং শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তির আওতায় আসবে, তবে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষার্থী এ সুবিধা পাবে। শ্রেণিভেদে মাসিক উপবৃত্তির পরিমাণ ৭৫ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অন্তত ৮০ শতাংশ উপস্থিতি এবং ন্যূনতম একাডেমিক ফলাফল বজায় রাখতে হবে।
পুরো বিতরণ কার্যক্রম ডিজিটালভাবে তদারকি করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রিয়েল টাইমে তথ্য পর্যবেক্ষণ করা হবে। অনিয়ম ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণে স্বচ্ছতা আনতে ডিজিটাল নীতিমালা চালু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।