বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণধারী ৪ হাজার ৮৯৯ জন বড় গ্রাহকের হাতে রয়েছে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা, যা দেশের মোট ব্যাংক ঋণের ৩২ শতাংশেরও বেশি। ২০২৪ সালের মার্চে এই হার ছিল ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ, অর্থাৎ বড় করপোরেট গ্রাহকদের হাতে ঋণ ক্রমেই কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। গড়ে প্রতিটি বড় গ্রাহকের ঋণের পরিমাণ প্রায় ১১৭ কোটি টাকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অল্পসংখ্যক গ্রাহকের হাতে ঋণ কেন্দ্রীভূত হওয়ায় ব্যাংকিং খাতে বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বড় ঋণগ্রহীতাদের খেলাপি হলে ব্যাংকের মূলধন, তারল্য ও মুনাফা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক এক্সপোজার সীমা নির্ধারণ করেছে, অনেক শিল্পগোষ্ঠী তা অমান্য করছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সীমা শিথিল করে একজন গ্রাহককে ব্যাংকের মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে, যা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
অন্যদিকে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতারা বঞ্চিত হচ্ছেন। মোট ঋণগ্রহীতার ৯৩ শতাংশের বেশি ১০ লাখ টাকার নিচে ঋণ পেয়েছেন, কিন্তু তাদের অংশ মোট ঋণের মাত্র ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, যেখানে প্রায় অর্ধেক ঋণ মাত্র এক হাজার গ্রাহকের হাতে।
৪৯০০ বড় গ্রাহকের হাতে দেশের মোট ব্যাংক ঋণের ৩২ শতাংশের বেশি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।