Web Analytics

মেজর জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা অভিযোগ করেছেন, ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর তার স্বামী নিহত হওয়ার পর তাকে ও দুই শিশুসন্তানকে আটক, নির্যাতন এবং দীর্ঘ কারাবাসে রাখা হয়। ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা সেনানিবাসের একটি বাসভবনে ‘আমার দেশ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সাদা পোশাকের লোকজন মিরপুরের রূপনগরের বাসা থেকে তাদের নিয়ে যায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ডিবির ‘আয়নাঘর’ হিসেবে বর্ণিত স্থানে মা ও দুই সন্তানকে চার মাস সাতদিন গুম করে রাখা হয়েছিল।

জেবুন্নাহার বলেন, হোলি আর্টিজান হামলার সঙ্গে স্বামীর সম্পৃক্ততা নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং দুদফায় সাতদিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। আট মাসের শিশুকে নিয়ে তিনি দুই দিন-দুই রাত চেয়ারে বসে ছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। খাবার ও ডায়াপারের সংকটের কথাও জানান। স্বামীকে জঙ্গি হিসেবে স্বীকার না করলে তাকে ও দুই মেয়েকে একই পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও তার দাবি।

প্রতিবেদনে মেজর জাহিদকে পরে মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত বলা হয়েছে এবং তার হত্যাকে সাজানো বন্দুকযুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। জেবুন্নাহারকে ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার দেখানো হয়; তিনি ছয় বছর কারাভোগের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পরে মুক্তি পান। পরিবারের দাবি, জাহিদের কবর এখনো শনাক্ত করা যায়নি এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

27 Sep 26 1NOJOR.COM

মেজর জাহিদ হত্যার পর গুম, নির্যাতন ও কারাবাসের অভিযোগ স্ত্রীর

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।