ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও যুক্তরাজ্য জেরুজালেমে তাদের কনস্যুলেটকে ‘ইউকে মিশন, জেরুজালেম’ নামে সীমিত পরিসরে চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসরাইল কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পর দুই দেশের সমঝোতায় ভবনটি পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না। তবে বিধিনিষেধের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ, উন্নয়ন কার্যক্রম ও কনস্যুলার সেবা কতটা চলবে, তা অনিশ্চিত।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধের ঘোষণা দেন। তিনি সহিংসতা বা উসকানিতে জড়িত উগ্রপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের পরিকল্পনা জানান। ইসরাইল এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সরানো, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ ও ১২ ব্রিটিশ ব্যক্তিত্বের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাসহ পাল্টা ব্যবস্থা নেয়।
৮ অক্টোবরের সময়সীমার আগে হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী মিশনে কর্মরত ২৭ কূটনীতিকের মধ্যে ২০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হবে বলে গিদেওন সার জানিয়েছেন। ব্রিটেন আগামী কয়েক মাসে উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা বললেও নির্দিষ্ট সময়সীমা দেয়নি।
ইসরাইলি বিধিনিষেধের মধ্যে সীমিত পরিসরে জেরুজালেমে ব্রিটিশ মিশন চালু থাকছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।