জাতীয় নিরাপত্তা কেবল সেনাবাহিনী, অস্ত্র বা সামরিক শক্তি দিয়ে নির্ধারিত হওয়া উচিত নয় বলে এক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকা নির্ভর করে তার সামগ্রিক স্থিতিস্থাপকতার ওপর। জাতীয় স্থিতিস্থাপকতা হলো বড় আঘাত বা সংকট সামলানো, প্রয়োজনমতো অগ্রাধিকার বদলানো এবং সংকটের আগেই মানুষের মৌলিক চাহিদা সুরক্ষিত রাখার সক্ষমতা।
বিশ্লেষণে আধুনিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সামাজিক সচেতনতা, সংকট ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে বাইরের শক্তির সুযোগে পরিণত হতে না দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কার্যকর প্রতিষ্ঠান, সন্ত্রাসবিরোধী সক্ষমতা, বৈচিত্র্যময় আয়, পর্যাপ্ত মজুত, নির্ভরযোগ্য সরবরাহব্যবস্থা, সামাজিক সংহতি ও জনআস্থাকে স্থিতিস্থাপকতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খাদ্য, পানি ও জ্বালানিতে আমদানিনির্ভরতা বেড়েছে এবং কৃষি, খাদ্য উৎপাদন ও মৌলিক শিল্প দুর্বল হয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। সৌদি আরবের স্থিতিশীলতায় সামরিক শক্তির পাশাপাশি অভিজ্ঞতা, নমনীয়তা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও উত্তেজনা কমানোর নীতির ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদকে খাদ্য, পানি, জ্বালানি, শিল্প, বিজ্ঞান ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করলে দীর্ঘমেয়াদি শক্তি গড়ে উঠতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তায় সামরিক শক্তির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় স্থিতিস্থাপকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।