মিয়ানমারের জান্তা-সমর্থিত সরকার বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের নিবন্ধিত বা সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করেছে। ১৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে যাচাইকৃতদের ধাপে ধাপে ফেরত নেওয়া হবে। তবে রাখাইনে নিরাপত্তা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রত্যাবাসন বা সশরীরে ফিরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে না বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
বাংলাদেশের পাঠানো আট লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকা থেকে মিয়ানমার চার লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করেছে। তাদের মধ্যে তিন লাখ আট হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের নিবন্ধিত বা সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। এক লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের পরিচয় যাচাই করা যায়নি এবং ৪,২৪১ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে নেপিদো।
মিয়ানমার ২০১৭ সালের সহিংসতার পর ১০ লাখের বেশি মানুষ বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত হওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের হিসাবে, পাঁচ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাংলাদেশে গেছে এবং দুই লাখের বেশি উত্তর রাখাইনে রয়েছে। বর্তমানে কক্সবাজার ও ভাসানচরের শিবিরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাস করছে। রাখাইনের সংঘাত ও আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির কারণে নিরাপদ প্রত্যাবাসন থমকে আছে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে না
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।