সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার স্বাক্ষর নকল করে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় সাময়িক বহিষ্কৃত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাবুদ্দীন আহমদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার আদালত। সোমবার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর আগে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান।
মামলাটি কক্সবাজারের শাহপরীর দ্বীপ করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ৫ লাখ গরু আমদানির অনুমোদন নেওয়ার কথিত প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে। ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন রবিনকে খোরশেদ আলম উচ্চপর্যায়ের সরকারি যোগাযোগের মাধ্যমে অনুমোদন এনে দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে মামলার সূত্রে উল্লেখ আছে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে রবিন জানতে পারেন, সেখানে এমন কোনো আবেদন আসেনি, যদিও তৎকালীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সুপারিশসংবলিত একটি মঞ্জুরিপত্র দেওয়া হয়েছিল।
ঘটনায় পল্লবী থানায় ডিবি পুলিশ মামলা করে এবং পরে সিআইডি পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। তদন্তে এটিকে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যারা শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সিআইডির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২ মার্চ শাহাবুদ্দীন আহমদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে একটি আবেদন পাঠানো হয়েছিল, যার আদলে রবিনের জন্য আরেকটি আবেদন তৈরি করা হয়।
উপদেষ্টার স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলায় আত্মসমর্পণের পর কারাগারে এএসপি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।