সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় পৃথক হাম কর্নার চালু করা যায়নি। যদিও হাসপাতালগুলোতে হাম রোগীদের জন্য আলাদা কর্নার স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, অনুমোদন না পাওয়ায় তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। মার্চের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত উপজেলায় মাত্র চারজন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনের নমুনা ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজলস-রুবেলা ল্যাবে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি দুইজনের নমুনা পরীক্ষাধীন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কারও শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি এবং কোনো শিশুর মৃত্যুর খবরও পাওয়া যায়নি।
সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রমও বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল হাম ক্যাম্পেইনের আওতায় টিকা প্রদান করা হবে এবং অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। উপজেলায় হামের উপসর্গযুক্ত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, তাই আক্রান্ত শিশুদের আলাদা রাখা জরুরি।
এদিকে ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদের জন্য একই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু করা হয়েছে, যা ১৫ জানুয়ারি সিলেটের সিভিল সার্জন উদ্বোধন করেন।
ওসমানীনগরে হাম কর্নার চালু হয়নি, সংক্রমণ কম থাকলেও সতর্কতা জারি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।