কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের এক আসামি গ্রেপ্তারের পর দশ বছর পুরোনো এই মামলাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সাবেক প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে দীর্ঘ ব্যাখ্যা দেন। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশে তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ বোর্ডের প্রধান হিসেবে তিনি দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত পরিচালনা করেন এবং প্রথম ময়নাতদন্তের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না।
ডা. সাহা বলেন, কবর থেকে ১০–১৫ দিন পর লাশ উত্তোলনের সময় তা পচে যাওয়ায় মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। তবে ডিএনএ পরীক্ষায় তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া যায়, যা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। তিনি স্পষ্ট করেন, রিপোর্টে কোথাও তনুর স্বেচ্ছায় যৌন সম্পর্কের কথা বলা হয়নি এবং এটি বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য মতামত ছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার, হুমকি ও অপপ্রচার চলছে, যা তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, তার সব কাজ আইনগতভাবে নথিভুক্ত এবং তিনি ন্যায়বিচারের পক্ষে আছেন।
তনু ময়নাতদন্ত নিয়ে সমালোচনার জবাবে ডা. কামদা প্রসাদ সাহার ফেসবুক ব্যাখ্যা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।