গত এক বছরে ভারতীয় রুপি বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে প্রায় ১০ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয়েছে বলে ২১ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে পাকিস্তানি রুপির বিপরীতে রুপির দরপতন হয়েছে ১১.৮৬ শতাংশ এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার নেমে এসেছে ৯৬.৯৬-এ। বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, অপরিশোধিত তেলের উচ্চমূল্য এবং বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ কমে যাওয়াই এই পতনের মূল কারণ।
ভারতের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানিনির্ভর হওয়ায় তেলের দাম বাড়লে রুপির ওপর চাপ বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা স্থবিরতা ও আন্তর্জাতিক বন্ডের সুদের হার বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীরা উদীয়মান বাজার থেকে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন, যা বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ কমিয়ে দিচ্ছে। এতে রুপির মান আরও দুর্বল হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, রুপির অবমূল্যায়নে বিদেশে পড়াশোনা, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও আমদানি পণ্যের খরচ বাড়তে পারে। আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয় ও মূলধন প্রবাহের তুলনায় দ্রুত বাড়লে ভারতের চলতি হিসাবের ঘাটতি আরও গভীর হতে পারে।
তেলের দাম ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তায় টাকার বিপরীতে রুপি ১০ শতাংশ কমেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।