২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বাংলাদেশের প্রাথমিক বাংলা পাঠ্যবইয়ে নৌকার ছবির অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। অ্যাকটিভিস্ট খালিদ মোহাম্মদ ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, প্রথম শ্রেণির বাংলা বইয়ে অন্তত ৩০টি এবং তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে ২৪টি নৌকার ছবি রয়েছে। দুই বই মিলিয়ে ছবির সংখ্যা ৫৪টি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভাইরাল পোস্টে অক্ষর পরিচয়, শব্দ শেখা ও ছবি দেখে চেনার পাঠে একই প্রতীক এতবার ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পোস্টে এনসিটিবিতে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের প্রভাব আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার অভিযোগও করা হয়। মন্তব্যকারী সালমান শামিল বলেন, একই প্রতীকের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে শিশুদের মনে নৌকার প্রতীক গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। আরেক অ্যাকটিভিস্ট তৃতীয় শ্রেণির বইয়ে নৌকার উল্লেখযোগ্য উপস্থিতির কথা তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় ইতিহাস, সংস্কৃতি, গ্রামীণ জীবন, নদীপথ ও যোগাযোগের বাস্তবতা তুলে ধরতে নৌকার ছবি ব্যবহার স্বাভাবিক। তবে একই ধরনের ছবির পুনরাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও বৈচিত্র্য বাড়াতে কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। পরিবেশ, পেশা, প্রাণী, উদ্ভিদ ও দৈনন্দিন জীবনের বহুমাত্রিক ছবি ব্যবহারের কথাও আলোচনায় এসেছে।
২০২৭ সালের প্রাথমিক বাংলা বইয়ে নৌকার ছবি বেশি থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।