২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে সিলেটের গোলাপগঞ্জে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণে সাতজন নিহত হন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ছয়জন প্রাণ হারান এবং শতাধিক মানুষ আহত হন। নিহতদের মধ্যে নাজমুল ইসলাম, সানি আহমদ, তাজউদ্দীন, মিনহাজ উদ্দিন, গৌছ উদ্দীন ও জয় আহমদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একই দিনের পুলিশি গুলিতে গুরুতর আহত কামরুল ইসলাম পাভেল পরদিন ৫ আগস্ট মারা যান।
কারফিউ চলাকালে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা দক্ষিণ সরকারি কলেজ ও বহুমুখী কলেজে জড়ো হন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বিজিবি ও পুলিশের টহল দলের উত্তেজনা পরে সংঘর্ষে গড়ায় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। এতে রাবার বুলেট, স্প্রিং বুলেট, গুলি, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের কর্মীদের সশস্ত্র হামলার অভিযোগও করা হয়েছে।
দুই বছর পরও নিহতদের পরিবার দৃশ্যমান বিচার না হওয়ার অভিযোগ তুলেছে। কামরুল ইসলাম পাভেলের বাবা রফিক উদ্দিন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান। নাজমুলের ভাই ছামিদ আহমেদ একটি হত্যা মামলায় প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. জাবের সাদেক বলেন, পিবিআই ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে অগ্রগতি আছে; আসামি বেশি হওয়ায় সময় লাগছে এবং তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোলাপগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত সাতজনের পরিবারের বিচার দাবির কথা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।