সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার পাঠ্যক্রমে বড় পরিবর্তন আনছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। মোট ৬০১টি পাঠ্যবই পরিমার্জনের কাজ চলছে এবং নতুন কয়েকটি বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। এনসিটিবি চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানিয়েছেন, জুলাইয়ের মধ্যে মুদ্রণ শুরু হবে যাতে ২০২৭ সালের শুরুতেই শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩২০ জন বিশেষজ্ঞ এই কাজে অংশ নিচ্ছেন।
২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে ‘ক্রীড়া ও সংস্কৃতি’, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ এবং সপ্তম শ্রেণিতে ‘জীবন ও কর্মমুখী শিক্ষা’ নামে তিনটি নতুন বিষয় যুক্ত হবে। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, সাইবার নিরাপত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ইতিহাস বইয়ে মুক্তিযুদ্ধ, রাজনৈতিক আন্দোলন ও জাতীয় নেতাদের ভূমিকা আরও ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপন করা হবে।
সরকার ২০২৮ সাল থেকে ধাপে ধাপে অভিজ্ঞতাভিত্তিক নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ, ব্যবহারিক দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
২০২৭ সাল থেকে নতুন বিষয় ও এআইভিত্তিক পাঠ্যক্রম চালু করবে বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।