ঢাকার বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান নিহতের মামলায় অভিযুক্ত ১৭ বছর বয়সি কিশোরের জামিন আবেদন খারিজ করেছেন আদালত। রোববার শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির তাকে আবার শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে বারিধারার একটি সড়কের ফুটপাতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় প্রাইভেটকারের চাপায় আহত হন মেহেদী।
কিশোরের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা খান দাবি করেন, ঘটনার সময় তাঁর মক্কেল গাড়ি চালাচ্ছিলেন না এবং তিনি নির্দোষ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, চালকের ভুলে ঘটনা ঘটেছে এবং নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পর তাদের আর আপত্তি নেই। শুনানিতে নিহতের বাবা ও ভাই উপস্থিত ছিলেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে জানায়, সিসিটিভি ফুটেজে কিশোরকেই গাড়ি চালাতে দেখা গেছে এবং তাঁর বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না।
বিচারক বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে কিশোরকে গাড়ি থেকে বের হতে দেখা গেছে। তাঁকে জামিন দিলে সমাজে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে এবং অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আদালত মত দেয়। গুরুতর আহত মেহেদীকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর স্থানীয়রা কিশোরকে আটক করে পুলিশের হাতে দেন; পরে সমালোচনার মুখে ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বারিধারায় শ্রমিক নিহতের মামলায় কিশোরের জামিন নাকচ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।