প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরের নিরাপত্তা ভালভে বারবার ত্রুটি ধরা পড়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন ও কমিশনিং অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বা কমিশনিং শুরুর বিষয়ে এখন আর নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা যাচ্ছে না। পাবনার রূপপুরে রাশিয়ার ঋণ ও কারিগরি সহায়তায় নির্মিত দুই ইউনিটের কেন্দ্রটির মোট সক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
জ্বালানি লোডিংয়ের আগে প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষার পর চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়ার লক্ষ্য ছিল। বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষা চালিয়ে ‘বি’ স্টেজ শেষ হলেও দুটি সেফটি ভালভের সমস্যায় ‘সি’ স্টেজে যাওয়া যাচ্ছে না। মন্ত্রী বলেন, ত্রুটির প্রকৃত কারণ নির্ধারণে রাশিয়া থেকে বিশেষজ্ঞ দল আসবে। আগস্টের শেষ দিকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি এবং সেপ্টেম্বরে কমিশনিংয়ের ঘোষণাও অনিশ্চিত হয়েছে।
ভালভ দুটি পুরোপুরি বদলাতে হতে পারে বলে জানান মন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য বরাদ্দ ভালভ প্রথম ইউনিটে বসানো অথবা রাশিয়ার ভেন্ডরকে দ্রুত নতুন ভালভ তৈরি ও সরবরাহের অনুরোধ করার বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে দুই দফা বাড়িয়ে জুন ২০২৮ করা হয়েছে। প্রথম ইউনিটে ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোড শুরু হয়ে ১২ মে শেষ হয়; এতে ১৬৩টি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি লোড করা হয়।
সেফটি ভালভ ত্রুটিতে রূপপুরের প্রথম ইউনিট চালুর নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।