ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত কনস্যুলেট বন্ধের বিষয়টি ভাবছে ইসরাইল। এক ইসরাইলি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, দেশটির অন্যতম প্রাচীন এই মিশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা চলছে। কনস্যুলেট বন্ধ হলেও আঙ্কারায় ইসরাইলি দূতাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে চালু থাকবে, তবে সেখানে কোনও ইসরাইলি কূটনীতিক দায়িত্বে থাকবেন না।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর তুরস্কে থাকা ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সরিয়ে নেওয়া হয় এবং স্থানীয় কর্মীদের মাধ্যমে দুই মিশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভূমিকম্প ঝুঁকি ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বিবেচনায় কনস্যুলেট ভবন ভেঙে ফেলার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে। গত ৭ এপ্রিল কনস্যুলেটের কাছে গুলির ঘটনার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
হামাস-ইসরাইল যুদ্ধের পর থেকে তুরস্ক ও ইসরাইলের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। ২০১৬ সালে দুই দেশ সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করলেও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি আবার উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
ইরান সংঘাত ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ইস্তাম্বুল কনস্যুলেট বন্ধের চিন্তা করছে ইসরাইল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।