মতামতধর্মী এই লেখায় বাংলাদেশে অতীতের ‘বোবা কান্না’ ও বর্তমানের সরব জনঅভিব্যক্তির তুলনা করা হয়েছে। লেখক ৫ আগস্টের আগের পরিস্থিতিকে এমন সময় হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যখন মানুষ কষ্ট, ক্ষোভ ও হতাশার কথা খোলাখুলি বলতে পারত না। তাঁর মতে, এখন মানুষ তা বলতে পারছে; তাই পরিস্থিতির এই পার্থক্য বুঝে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।
লেখক বর্তমান সরকার ও নেতাদের ভুলের সমালোচনাকে প্রয়োজনীয় বলেছেন, তবে এমন প্রতিক্রিয়া থেকে সতর্ক করেছেন যা বিতাড়িত রাজনৈতিক শক্তির সুযোগ তৈরি করতে পারে। তিনি সরকারবিরোধী মনোভাবের তীব্রতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বর্তমান সরকার ব্যর্থ হলে দেশের অবস্থান কী হবে, তা ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সত্যনিষ্ঠ ও দলনিরপেক্ষ শক্তিশালী সিভিল সোসাইটি গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
লেখাটিতে রাজনৈতিক দলগুলোর বাস্তব চরিত্র বিবেচনা এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে জবাবদিহির দাবি জানানো হয়েছে। রাড্ডা হাসপাতাল-সংক্রান্ত ঘটনার পরম্পরা উল্লেখ করে লেখক প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় পদক্ষেপের আশা প্রকাশ করেছেন। শেষে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে মন্ত্রীদের জন্য সততা, মূল্যবোধ, জনসেবার অঙ্গীকার, দক্ষতা, বিচারবোধ ও নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
জবাবদিহি, সংযত সমালোচনা ও স্বাধীন সিভিল সোসাইটির পক্ষে মতামত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।