বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মাইশা মুশফিরাতের মৃত্যুর পর দুর্ঘটনা এড়াতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে প্রায় ২০টি অস্থায়ী স্পিডব্রেকার বসানো হয়েছে। ঢাকামুখী লেনের চারটি পয়েন্টে বসানো এসব গতিরোধকের কারণে কুমিরা থেকে বারো আউলিয়া পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে, ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রী ও চালকেরা।
গত ৩ নভেম্বর কুমিরায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের প্রধান ফটকের বিপরীতে লরির ধাক্কায় একটি মিনিবাস উল্টে মাইশার ওপর পড়ে। এতে তিনি নিহত এবং আরও দুজন আহত হন। পরে নিরাপদ সড়ক, ফুটওভারব্রিজ, অবৈধ পার্কিং বন্ধ ও দায়ীদের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা প্রায় ছয় ঘণ্টা মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন।
জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ এবং অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদের আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। অভিযানে ১৫টি মামলায় ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ শেষ হলে অস্থায়ী স্পিডব্রেকারগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে।
মাইশার মৃত্যুর পর সীতাকুণ্ডে অস্থায়ী স্পিডব্রেকারে বেড়েছে যানজট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।