আইনজীবী শিশির মনির শুক্রবার জানান, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নয়, বরং এর প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। তিনি ফেসবুকে লাইসেন্স বাতিলের আদেশ ও সংশ্লিষ্ট নথি প্রকাশ করে দাবি করেন, বাতিল হওয়া লাইসেন্স নম্বর HSM 4310059 প্যাথলজি সেন্টারের, আর হাসপাতালের লাইসেন্স নম্বর HSM 4310058। শিশির মনির বলেন, সরকার হাসপাতাল ও প্যাথলজি ল্যাবের জন্য দুটি পৃথক লাইসেন্স দিয়েছে এবং প্রশ্ন তোলেন, এটি প্রশাসনিক অবহেলা নাকি ইচ্ছাকৃত ভুল।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান জানান, আদেশে স্পষ্টভাবে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের কথা বলা হয়েছে এবং প্রয়োজনে তা পর্যালোচনা করা হবে। এর আগে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ২৭ মে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অসন্তোষজনক জবাবের কারণে ১৯৮২ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। তদন্তে অক্সিজেন স্বল্পতা ও কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, লাইসেন্স বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল না প্যাথলজি সেন্টার—কোনটির লাইসেন্স বাতিল, তা নিয়ে বিতর্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।