২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতা নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে নিষেধাজ্ঞার কারণে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারেনি। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া তারেক রহমানের রাজনৈতিক সাফল্য এখন নির্ভর করছে দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার ওপর, যেখানে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান ও দুর্নীতি নিয়ে অসন্তোষ বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
বিএনপি ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ৪৬০ বিলিয়ন ডলার থেকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যার জন্য প্রয়োজন ৯ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর অঙ্গীকার থাকলেও রাজস্ব বৃদ্ধির কোনো বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা নেই। উচ্চ সুদহার, বণ্টনব্যবস্থার দুর্বলতা ও বিনিয়োগ ঘাটতি অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। কৃষি খাতে ৫ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে, যেখানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে হবে।
২০২৫ সালে প্রবাসী আয় বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, তবে শ্রম রপ্তানি খাতে দুর্নীতি ও সৌদি নির্ভরতা উদ্বেগের কারণ। অর্থনীতিবিদ খান আহমেদ সাঈদ মুরশিদ বাস্তববাদী সংস্কারের পরামর্শ দিয়েছেন। ২০২৬ সালের নভেম্বরে এলডিসি থেকে উত্তরণ বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
বিএনপির জয়ের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবনে বড় চ্যালেঞ্জে তারেক রহমান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।