যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্তে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধের দাম, সামাজিক নিরাপত্তা, অভিবাসননীতি এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড বড় প্রভাব ফেলেছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে রয়টার্স এসব তথ্য পেয়েছে। ডেট্রয়েটের ৩৪ বছর বয়সি তথ্য বিশ্লেষক ব্রিটানি হ্যামলিন অসুস্থ দাদির দেখাশোনার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে ভোট দেন।
হ্যামলিনের মতে, এল-সায়েদ সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা বজায় রাখা ও চিকিৎসা ব্যয় কমাতে কাজ করতে চান। নাতালিয়া টাউনসও তাঁকে সমর্থন করেন; তাঁর মতে, নির্বাচনের সময়ের সাময়িক প্রচেষ্টার চেয়ে মানুষের পাশে নিয়মিত থাকা জরুরি। তবে ৬৩ বছর বয়সি পল স্টকিজ রিপাবলিকান মাইক রজার্সকে ভোট দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এল-সায়েদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের ব্যয় শেষ পর্যন্ত করদাতাদের বহন করতে হবে।
শিকাগো ও ফোর্ট ওয়ার্থে অভিবাসননীতি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল। শিক্ষক রায়ান ব্রাউন বলেন, কঠোর নীতিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ফোর্ট ওয়ার্থের মারিয়া সেরদা সহকর্মীদের আটক ও বহিষ্কারের কথা বলেন, পাশাপাশি নিত্যপণ্য ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির চাপের কথাও জানান। আলাস্কায় একই নামের প্রার্থী থাকায় বিভ্রান্তির আশঙ্কাও আলোচনায় ছিল।
ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবা ও অভিবাসননীতি মার্কিন ভোটারদের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।