যমুনার অভিমুখে বুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ব্যাপক পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বুধবার। পুলিশি আক্রমণের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় ওঠে। এদিকে ডিএমপি পুলিশ আক্রমণের একটি ছবি শেয়ার করে দাবি করে- শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরা যে ছবিটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি। উল্লেখ্য, ছবিতে মাসুদ আলমকে এক শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরতে দেখা গেছে। তবে ডিএমপি যে ছবিটি এআই বলে দাবি করেছে তা অসত্য। কারণ ছবিটি ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সংঘর্ষের ওই সময় একাধিক ফটোগ্রাফার একই ধরনের ছবি ক্যামেরায় ধারণ করেছেন। টিবিএস-এর ফটোগ্রাফার রাজীব ধরের তোলা এই ছবিটি তার গণমাধ্যমেও প্রকাশ করেছে। এছাড়া বাংলাদেশ প্রতিদিনের ফটোগ্রাফার জয়ীতা রয় তার ক্যামেরায় তোলা ছবিটি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। জয়ীতা বলেন, ‘যমুনার দিকে যাওয়ার পথে হেয়ার রোডে ব্যারিকেড ভেঙে শিক্ষার্থীরা এগোতে থাকলে একপর্যায়ে পুলিশ জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড মারে। তারপর একজন ছাত্রকে তারা ধরে ফেলেন। আমি যে ছবিটা তুলেছি এটা ওই সময়ই তোলা। ওই সময় ডেইলি স্টারের অর্কিড, টিবিএসের রাজীব ধর, মানবজমিনের আবু সুফিয়ান জুয়েলসহ অনেকেই এই ছবিটি তুলেছেন। এছাড়া ফ্যাক্টচেকার কদরুদ্দিন শিশিরও ছবিটি রিয়েল বলে জানিয়েছেন।
শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরা ছবিটি এআই নয়, ডিএমপির দাবি অসত্য, ফ্যাক্টচেকার কদরুদ্দিন শিশিরও ছবিটি রিয়েল বলে জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।