২০২৬ সালের ২৭ মে গভীর বিষাদ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে গাজায় ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হয়েছে। ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলেও ছিল না পশু কোরবানি, শিশুদের নতুন পোশাক বা উৎসবের আনন্দ। যুদ্ধ, ক্ষুধা ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনটি গাজাবাসীর কাছে বেদনার প্রতীক হয়ে উঠেছে। দেইর আল-বালাহতে বাস্তুচ্যুত নাদিয়া আবু শামালা জানান, লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবারের ন্যূনতম চাহিদাও মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।
২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও ইসরাইলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যে দেখা যায়, গাজার ৮০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত এবং অধিকাংশ মানুষ ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল। ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে থাকা সীমান্ত দিয়ে সীমিতসংখ্যক ট্রাক প্রবেশ করায় পণ্যের সংকট ও মূল্যস্ফীতি কমছে না। স্থানীয়রা যুদ্ধবিরতিকে “বড় মিথ্যা” বলে অভিহিত করলেও শিশুদের জন্য কিছু আনন্দ তৈরির চেষ্টা করছেন।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগে তুলনায় এখন গাজায় মাত্র এক-চতুর্থাংশ ভেড়া অবশিষ্ট আছে, প্রায় ১৫ হাজার। কোরবানির পশুর দাম বেড়ে ১১ থেকে ১৫ হাজার শেকেল পর্যন্ত পৌঁছেছে। গ্যাসের সংকটে অনেক পরিবার ঘরে মিষ্টি তৈরি করতেও পারছে না, ফলে ঈদ হয়ে উঠেছে নিঃস্ব ও নিরানন্দ।
যুদ্ধ ও মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে গাজায় নিঃস্ব ঈদুল আজহা উদ্যাপন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।