জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কম মজুরি ও আবাসনসংকটের প্রতিবাদে শনিবার ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। সবচেয়ে তীব্র পরিস্থিতি ছিল ফ্রান্সে, যেখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশজুড়ে ৫ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। সংঘর্ষ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১৫০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু।
ফ্রান্সে সরকারি ভবন, বিলাসপণ্যের দোকান, সুপারমার্কেট, পুলিশের গাড়ি ও সদস্যদের ওপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। প্যারিসসহ মার্সেই, নিস, নঁত, বোর্দো, লিমোজ, লিল, তুলুজ ও স্ত্রাসবুর্গে দোকান লুট হয়েছে। মুখোশধারী বিক্ষোভকারীদের আগুনে লিমোজের ১৪০ বছরের বেশি পুরোনো টাউন হলের বড় অংশ পুড়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করে শাস্তি দেওয়ার কথা বলেছেন।
ব্রাসেলসে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধন ফি বৃদ্ধিবিরোধী ছাত্রবিক্ষোভে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে; লিয়েজেও জলকামান ব্যবহার করা হয়। মিলান ও বোলোনিয়ায় সংঘর্ষ হয়েছে। লিসবনে কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার মানুষ মিছিল করেন। বিশ্লেষক আলবের্তো আলেমানো মনে করেন, এই অসন্তোষ ইউরোপের অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
চার ইউরোপীয় দেশে ব্যয় ও আবাসনসংকটবিরোধী বিক্ষোভ, ফ্রান্সে সহিংসতা ও গ্রেপ্তার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।