প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় প্রথম ভাষণ দেন। তিনি জাতিসংঘের নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তরুণদের স্বপ্নপূরণ, নারীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জীবনযাপন এবং শিশুদের সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য তুলে ধরেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চায় বাংলাদেশ। দক্ষ মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও ম্যানুফ্যাকচারিং হাব গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি চলতি অর্থবছরে স্টার্টআপ সহায়তায় ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের কথা বলেন। নারী উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, স্নাতক পর্যন্ত নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা কার্ড এবং ইউনিভার্সাল কার্ড চালুর পরিকল্পনাও উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার, এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর সমর্থন চান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নয় বছরের বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফেরানোই একমাত্র সমাধান। তিনি পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো ও ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচির কথাও জানান।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের উন্নয়ন, জলবায়ু ও শান্তি অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন তারেক রহমান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।