সুদানের যুদ্ধ থেকে পরিবারসহ পালিয়ে চাদে আশ্রয় নেওয়া মোহাম্মদ আহমেদ এখন একটি শরণার্থী শিবিরের স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শরণার্থী হিসেবে নতুন জীবন শুরু করার পর তিনি শিশুদের ভবিষ্যৎ এবং নতুন পরিবেশে জীবন গড়ার প্রশ্নের মুখোমুখি হন। শিবিরে বহু শিশু যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির কারণে পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল।
পর্যাপ্ত স্কুল, শিক্ষক ও শিক্ষাসামগ্রীর ঘাটতির মধ্যে আহমেদ শিশুদের আবার পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেন। ধীরে ধীরে সেই উদ্যোগ বিস্তৃত হয় এবং পরে তিনি শিবিরের একটি স্কুলে যুক্ত হন। নিজের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহের কারণে তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পান। সুদানের যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা বহু পরিবারের জন্য শিক্ষা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।
প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি পাঠদান পরিচালনার পাশাপাশি যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির মানসিক ধাক্কা কাটিয়ে শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা করছেন। ভাষা, নতুন পরিবেশ, দারিদ্র্য ও শিক্ষকের সংকট শিশুদের শিক্ষাকে কঠিন করে তুলেছে। চাদের শরণার্থী শিবিরগুলোতে বিপুলসংখ্যক সুদানি আশ্রয় নিয়েছেন, যাদের বড় অংশ শিশু ও কিশোর; তাই খাদ্য, চিকিৎসা ও আশ্রয়ের পাশাপাশি শিক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা হয়ে উঠেছে।
চাদের শরণার্থী শিবিরে সুদানি শিশুদের শিক্ষায় কাজ করছেন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আহমেদ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।