হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন শান্তি আলোচনা। ইরানের প্রস্তাবিত দশ দফা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজ থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা পুনর্গঠনের কাজে ব্যয় করা হবে বলে দাবি তেহরানের। ইতোমধ্যে কিছু জাহাজ থেকে প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য অন্তত ১ ডলার করে টোল নেওয়া হয়েছে, ফলে একবার পারাপারে প্রায় ২০ লাখ ডলার দিতে হচ্ছে।
এই উদ্যোগ জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ফি আরোপ নিষিদ্ধ। যদিও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কেউই এই কনভেনশন স্বাক্ষর করেনি, ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়েছে যে তারা ইরানের নিয়ন্ত্রণ দাবি মানে না। বিশ্লেষকদের মতে, প্রতি ব্যারেলে ১ ডলার বাড়লে দৈনিক প্রায় ২ কোটি ডলার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে, যা পরিবহন, বীমা ও নিরাপত্তা ব্যয়ও বাড়াবে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা একে ইতিহাসের অন্যতম বড় জ্বালানি সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছে।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের টোল পরিকল্পনা বৈশ্বিক তেলবাজারে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।