জামালপুরে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার দুই বছর পরও আলোচিত অধিকাংশ অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ২০২৬ সালের ৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে অস্ত্র হাতে দেখা যাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট নতুন হাইস্কুল মোড়, কলেজ রোড ও আশপাশে সংঘর্ষের সময় অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারহান আহমেদের হাতে শর্টগান সদৃশ অস্ত্র এবং নাফিজুর রহমান তুষার ও শাহরিয়ার ইসলাম রাফির হাতে পিস্তল সদৃশ অস্ত্র দেখা যায়। ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর সদর থানায় এসআই মিঠুর দায়ের করা মামলায় ওই তিনজনের নামসহ কয়েকশ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলায় অস্ত্র প্রদর্শন, ভয়ভীতি সৃষ্টি ও হুমকির অভিযোগ আনা হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বিজন কুমার বিশ্বাস বলেন, তদন্ত শেষে ৭০ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। সদর থানার ওসি নাজমুল সাকিব জানান, তিনি যোগদানের আগের এ ঘটনায় তথ্য সংগ্রহ চলছে এবং প্রদর্শিত অস্ত্র উদ্ধার ও অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আমিমুল ইহসান দ্রুত অস্ত্র উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
জামালপুরে ২০২৪ সালের অস্ত্র প্রদর্শন মামলায় দুই বছরেও অধিকাংশ অস্ত্র উদ্ধার হয়নি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।