শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনে ‘নিয়মবহির্ভূত কৌশল’ ব্যবহারের অভিযোগে নরসিংদী সদর উপজেলার নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসকে ব্যাখ্যা দিতে বলেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ১৬ আগস্ট প্রধান শিক্ষকের কাছে পাঠানো চিঠি এবং রোববার জারি করা অফিস আদেশে প্রতিষ্ঠানটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সশরীরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৬ সালের এসএসসি ফল প্রকাশের পর স্কুলটির শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বোর্ডের নজরে আসে অভিযোগটি। অভিভাবকদের অভিযোগ, শতভাগ ফলের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে নির্বাচনি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করা হয় এবং অনেককে মূল এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। কয়েকজন অভিভাবক জানান, তাঁদের সন্তানরা প্রথম শ্রেণি থেকে স্কুলটিতে পড়লেও পরীক্ষার আগে অংশ নিতে না পারার কথা জানানো হয়।
বোর্ড প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধন, নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং এসএসসির ফরম পূরণকারী শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে। পাঠদান, বিভাগ ও অতিরিক্ত শ্রেণি শাখার অনুমতিপত্রও দিতে বলা হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালে নবম শ্রেণিতে ৬০১ জন নিবন্ধিত হলেও ২০২৬ সালের এসএসসিতে সুযোগ পায় ৩৮২ জন। প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, নির্বাচনি পরীক্ষায় ৪৮৩ জনের মধ্যে ১০১ জন অকৃতকার্য হয়েছিল।
শতভাগ জিপিএ-৫ নিয়ে অভিযোগে নরসিংদীর স্কুলকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলেছে বোর্ড
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।