বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলা বান্দরবান তার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। সুউচ্চ পাহাড়, মেঘে ঢাকা চূড়া এবং ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা এই অঞ্চলকে এক জীবন্ত ক্যানভাসে পরিণত করেছে। মার্মা, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যাসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জুম চাষ, ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র ও পাহাড়ি খাবার পর্যটকদের কাছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা এনে দেয়।
‘বান্দরবান’ নামটির উৎপত্তি এক লোকগাঁথা থেকে, যেখানে বানরের দল ছড়া পার হতে হাত ধরে বাঁধ তৈরি করত। ১৯০০ সালের চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস রেগুলেশন অনুযায়ী এলাকা ছিল বোমাং রাজার শাসনাধীন, এবং ১৯৮৪ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। শতবর্ষ পুরোনো বোমাং রাজবাড়ি ও ঐতিহ্যবাহী রাজ পুণ্যাহ উৎসব আজও এই অঞ্চলের ঐতিহ্যের প্রতীক।
তাজিনডং ও কেওক্রাডং পর্বতশৃঙ্গ, নাফাখুম ও অমিয়াখুম ঝর্ণা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী, এবং বুদ্ধ ধাতু জাদীসহ নানা প্রাকৃতিক ও আধ্যাত্মিক স্থাপনা বান্দরবানকে করেছে অনন্য। পাহাড়ি মানুষের আতিথেয়তা ও সম্প্রীতি এই জেলাকে প্রকৃতি ও সংস্কৃতির মিলনস্থল হিসেবে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
প্রকৃতি ও সংস্কৃতির অনন্য মিলনে গড়ে উঠেছে বৈচিত্র্যময় বান্দরবান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।