আসামে নাগরিকত্ব ও ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধে বাংলাভাষী মুসলিম জনগোষ্ঠী পরিচয়, নথি এবং উচ্ছেদ নিয়ে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছে বলে নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে। এতে ১৮২৬ সালের ইয়ানডাবু চুক্তির পর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ভূমিনীতি ও কৃষি সম্প্রসারণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। জীবিকার সন্ধানে ময়মনসিংহ, রংপুর ও পাবনা থেকে আসা দরিদ্র কৃষকেরা নদীবিধৌত, জলাভূমি ও বনভূমির অংশে চাষাবাদ ও বসতি গড়ে তোলেন।
১৯৮৫ সালের আসাম চুক্তিতে নাগরিকত্ব নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা হিসেবে ২৪ মার্চ ১৯৭১ নির্ধারিত হয়। ৩১ আগস্ট ২০১৯ প্রকাশিত চূড়ান্ত এনআরসি থেকে ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জনের নাম বাদ পড়ে, তবে এই সংখ্যা থেকে তাদের ধর্মীয় পরিচয় নির্ধারণ বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদেশি ঘোষণা করা যায় না। ২০২০ সালের এক প্রতিবেদনে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বাংলাভাষী মুসলিমদের সামগ্রিকভাবে সন্দেহভাজন হিসেবে দেখার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ জানায়।
উচ্ছেদ অভিযানও নিবন্ধটির প্রধান উদ্বেগ। ২০২৫ সালের জুনে গোলপাড়ার হাসিলাবিলে ১ হাজার ৫৫০ বিঘা জলাভূমি থেকে ৬০০টির বেশি পরিবার সরানোর উদ্যোগ হয় এবং জুলাইয়ে ধুবড়িতে প্রায় ১ হাজার ৪০০ পরিবার উচ্ছেদের খবর প্রকাশিত হয়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গৌহাটি হাইকোর্ট অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্যসহায়তা ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতের নির্দেশ দেয়।
আসামে নাগরিকত্ব ও উচ্ছেদ বিরোধে বাংলাভাষী মুসলিম পরিবারগুলোর অনিশ্চয়তা দীর্ঘ হচ্ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।