হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মে ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২ মে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের বুথিডং এলাকার হোয়ার সিরি গ্রামে আরাকান আর্মি অন্তত ১৭০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা করে। প্রতিবেদনে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে এবং এতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী, স্যাটেলাইট চিত্র ও ভিডিও প্রমাণে দেখা যায়, সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। আরাকান আর্মি অভিযোগ অস্বীকার করে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার দাবি করলেও, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে।
প্রবন্ধে রোহিঙ্গা সংকটের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলা হয়েছে, শতাব্দীপ্রাচীন বসবাস সত্ত্বেও ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে তারা রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ে। ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু হওয়া নিপীড়নের ফলে বারবার বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে রোহিঙ্গারা, বর্তমানে যাদের সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। লেখক মনে করেন, নতুন বিএনপি সরকারের সামনে অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সমাধানের জন্য মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ, চীন ও ভারতের প্রভাব কাজে লাগানো এবং আঞ্চলিক আশ্রয় কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আরাকান আর্মির হত্যাযজ্ঞে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন, বহুমুখী কূটনীতি প্রয়োজন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।