গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে কারখানা ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার তৌফিক হোসেন (২১) মঙ্গলবার দুপুরে মারা গেছেন। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, রোববার একটি কারখানা ভাঙচুরের ঘটনা মোবাইল ফোনে ধারণ করার সময় আন্দোলনকারী পরিচয় দেওয়া দুই ব্যক্তি তৌফিককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। তৌফিকের ভাইয়ের দাবি, ওই ব্যক্তিরা কারখানা ভাঙচুর করতে এসেছিল। মারধরের সময় তৌফিক রক্তবমি করলে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নেন। পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে নয়, শ্রমিকদের পিটুনিতেই তিনি আহত হন।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বাসিন্দা তৌফিক বাংলাবাজারে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং লায়লা স্টাইলস লিমিটেডে চাকরি করতেন। মঙ্গলবার স্বজনেরা হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। আন্দোলনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে দীপ্ত টেলিভিশনের সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তৌফিকের পরিবার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের শনাক্ত এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
গাজীপুরে কারখানা ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলায় শ্রমিকের মৃত্যু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।