গাজায় যুদ্ধ বন্ধ, ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ কমানো এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ‘শান্তি বোর্ড’ গঠনের প্রস্তাব দেন। এক বছর পরও সংস্থাটি তার প্রধান লক্ষ্যগুলোতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ইসরাইল ও হামাসের যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বোর্ডকে গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসন হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরাইলি হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাঁদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। ইসরাইল গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। প্রতিদিন গড়ে ২২৭টি ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকছে, যেখানে পরিকল্পনায় ছিল ৬০০টি। আইপিসির হিসাবে, অন্তত ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি ক্ষুধার ঝুঁকিতে থাকবেন।
জাতীয় গাজা প্রশাসন কমিটিকে গাজায় ঢোকার অনুমতি না দেওয়ায় তারা কায়রো থেকে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীও এখনো মোতায়েন হয়নি। বোর্ড অর্থায়ন ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের পরিকল্পনা প্রকাশ করলেও বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইল এবং তুলনামূলক কম মাত্রায় হামাসকে প্রতিশ্রুতি মানাতে না পারা বোর্ডটির অকার্যকারিতা দেখিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি, ত্রাণ ও প্রশাসনিক পরিকল্পনায় অগ্রগতি ছাড়াই এক বছর পার শান্তি বোর্ডের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।