মিডলইস্ট আইয়ের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইসরাইলের সামরিক আধিপত্য প্রবল হলেও তা প্রতিবেশীদের আস্থা, সম্মতি ও সহযোগিতাভিত্তিক নেতৃত্বে রূপ নিতে পারেনি। ৯ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক সমালোচনা এবং যুক্তরাষ্ট্রনির্ভরতার কারণে ইসরাইলের আঞ্চলিক অবস্থানের ভিত্তি দুর্বল হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি গ্রামশির আধিপত্য ও হেজেমনির পার্থক্য তুলে ধরে দাবি করে, ইসরাইল সামরিকভাবে শক্তিশালী হলেও স্বেচ্ছাসম্মত আঞ্চলিক নেতৃত্ব গড়তে পারেনি। এতে বলা হয়, ২০২৩ থেকে চলমান যুদ্ধে হামাসের অবকাঠামো ধ্বংস, হিজবুল্লাহ নেতৃত্বকে হত্যা এবং গাজা, লেবানন ও সিরিয়ার কিছু এলাকায় উপস্থিতি সত্ত্বেও বৈধতা বাড়েনি। আন্তর্জাতিক আদালতের পদক্ষেপ, জাতিসংঘের তদন্ত এবং জনমতের নেতিবাচক প্রবণতাও আলোচিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে ইসরাইলের প্রযুক্তি খাত, যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা এবং দক্ষ কর্মীদের বিদেশমুখী হওয়ার ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সমন্বয়ের কেন্দ্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ নিজেদের কূটনীতি ইসরাইলনির্ভর করেনি। বিশ্লেষণের উপসংহার অনুযায়ী, শক্তিশালী পৃষ্ঠপোষক ব্যয় বহন করলে এই ব্যবস্থা টিকে থাকতে পারে, তবে সামরিক শক্তি এখনো ইসরাইলকে আঞ্চলিক নেতা বানাতে পারেনি।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সামরিক শক্তি সত্ত্বেও ইসরাইল আঞ্চলিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারছে না
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।