তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান বলেছেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরান, ইসরাইল বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে গঠিত জোট নয়। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এর লক্ষ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরোধ সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তিটি জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদে স্বীকৃত আত্মরক্ষার অধিকারের ভিত্তিতে করা হয়েছে।
এরদোয়ান বলেন, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তবে প্রতিক্রিয়ার ধরন আক্রান্ত দেশের প্রয়োজন ও অনুরোধের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। সহায়তার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য, লজিস্টিক সহায়তা কিংবা গোলাবারুদ সরবরাহ থাকতে পারে। হুমকির মাত্রা অনুযায়ী আরও ব্যাপক সামরিক সহায়তার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে বলে তিনি জানান।
কোনো হামলা ঘটলেই তুরস্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে—এমন পূর্বনির্ধারিত ব্যবস্থা চুক্তিতে নেই বলে এরদোয়ান স্পষ্ট করেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজনৈতিক ও সামরিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। তিনি সিরিয়ার স্থিতিশীলতাকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলেন এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ সমস্যায় বাইরের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেন।
এরদোয়ান বলেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরান বা ইসরাইলকে লক্ষ্য করে নয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।