কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব চলাকালে ৪ আগস্ট ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার প্রতিরোধের একটি উত্তাল দিন ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিন প্রতিরোধের মুখে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা ঈদগাঁও উপজেলা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ৪ আগস্ট ২০২৬ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্দোলন দমাতে তৎকালীন হাসিনা সরকার দেশজুড়ে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করলে এলাকায় ফেরা শিক্ষার্থীরা ৩ আগস্ট বিকেলে ঈদগাঁও বাসস্টেশনে মিছিলের চেষ্টা করেন। সেখানে ওত পেতে থাকা আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাদের মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়। এর পর উপজেলা শিবিরসহ ছাত্রসমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
পরদিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধের ঘোষণা দিলে বাসস্টেশনে সশস্ত্র অবস্থানের কথা বলা হয়। ঈদগাঁও বাজার থেকে মিছিল স্টেশনে পৌঁছানোর পর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সংঘর্ষ বাধে; পরে সাধারণ মানুষও যুক্ত হন। সংঘর্ষে তৎকালীন ইউএনও সুবল চাকমার সরকারি গাড়িসহ অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর ও আগুনে পুড়ে যায় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ঈদগাঁওয়ে ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ ও সংঘর্ষের বিবরণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।