রাষ্ট্রায়ত্ত ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা আইসিবি আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং স্থবির পুঁজিবাজারে সহায়তার জন্য সরকারের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ চেয়েছে। ১০ বছর মেয়াদি, দুই বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ এ ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণের অনুরোধ জানিয়ে সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেককে চিঠি দিয়েছেন আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ।
আইসিবি বলেছে, দীর্ঘমেয়াদি বাজারমন্দা, বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট ও উচ্চ সুদহারের কারণে তাদের আর্থিক চাপ বেড়েছে। উচ্চ সুদে ব্যাংকঋণ নেওয়া এবং বৈদেশিক মুদ্রার ঋণ পরিশোধও এই চাপ বাড়িয়েছে। নিয়মিত শেয়ার কেনাবেচা ও ক্যাপিটাল গেইন না থাকায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয় ব্যাহত হচ্ছে। ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের বাজারধসের পর আইসিবি বাজার পুনর্গঠন ও তারল্য সরবরাহে মার্কেট মেকার হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ৭ হাজার কোটি টাকা উচ্চ সুদবাহী দায় পরিশোধে এবং বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা পুঁজিবাজারে পুনর্বিনিয়োগে ব্যবহার করা হবে। আইসিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বাজার বাঁচাতে বেশি দামে শেয়ার কেনায় প্রতিষ্ঠানটি বড় লোকসানে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে অনিয়মের মাধ্যমে আইসিবিকে পাম্প অ্যান্ড ডাম্পে ব্যবহার করা হয়েছিল।
ঋণ শোধ ও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ চেয়েছে আইসিবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।