মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত থামাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছেছেন। ইরান জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শান্তি প্রস্তাব বিবেচনা করছে, তবে চুক্তিতে পৌঁছানোর পথে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছেন, এই সফরকে কোনো ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে দেখা উচিত নয়, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থানের মধ্যে এখনো গভীর বিভেদ রয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সংঘাত শেষ করার আলোচনায় অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেছিলেন, যদিও ২৮ ফেব্রুয়ারির যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এপ্রিল মাসে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের আয়োজন করেছিল, কিন্তু তা স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিকে “সীমান্তে দোদুল্যমান অবস্থা” হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যেখানে শান্তির সম্ভাবনা ও নতুন সংঘাতের ঝুঁকি পাশাপাশি রয়েছে।
তেহরান সফরে আসিম মুনির ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্কান্দার মোমেনি ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। একই সময়ে কাতারের প্রতিনিধিদলও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। ইরান জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশ শান্তি প্রচেষ্টায় যুক্ত থাকলেও পাকিস্তান এখনো আনুষ্ঠানিক মধ্যস্থতাকারী নয়।
তেহরানে পাকিস্তান সেনাপ্রধান, যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাব নিয়ে ইরানের সতর্কতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।